আরও দেখুন
যখন MACD সূচকটি শূন্য়ের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1903-এর লেভেল টেস্ট করেছিল, যা ইউরোর মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমাবদ্ধ করেছিল। এই কারণে আমি ইউরো বিক্রি করিনি। 1.1903-এর লেভেলের দ্বিতীয় টেস্টের সময় MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোন থেকে ওভারবট জোনের দিকে যাচ্ছিল—যা বাই সিগন্যালের পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের সুযোগ করে দিয়েছিল। ফলস্বরূপ এই পেয়ারের মূল্য 20 পিপসেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছিল।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত ডিসেম্বরের খুচরা বিক্রয় সংক্রান্ত প্রতিবেদনে যে নেতিবাচক ফলাফল দেখা গিয়েছে তা মার্কিন ডলারের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলেছে এবং দিনের দ্বিতীয়ার্ধে ইউরোর দর বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে। খুচরা বিক্রয় সূচকের প্রবৃদ্ধিতে মন্থরতা ভোক্তা চাহিদার দুর্বলতার ইঙ্গিত দিতে পারে, যা প্রধান সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকগুলোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। যেহেতু ভোক্তা ব্যয় মার্কিন জিডিপির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, তাই এই খাতের মন্থরতা রোধের জন্য নিবিড় নজরদারীর প্রয়োজন।
আজ দিনের প্রথমার্ধে ইতালির শিল্প উৎপাদন সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার হবে। উৎপাদন কার্যক্রমের নির্দেশক হিসেবে বিবেচিত এই সূচকটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ইতালি ইউরোজোনের শীর্ষ অর্থনৈতিক রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে একটি। শিল্পখাত যেকোনো উন্নত অর্থনীতির জন্য মৌলিক চালিকাশক্তি—এটি কেবল উৎপাদন পরিমাণই নির্ধারণ করে না বরং কর্মসংস্থান, বিনিয়োগ এবং জিডিপির ওপরও প্রভাব ফেলে। আজকের ফলাফল প্রকাশ পেলে এটি মূল্যায়ন করা যাবে যে দেশটির উৎপাদন খাত সাম্প্রতিক সামষ্টিক প্রেক্ষাপটগত চ্যালেঞ্জগুলোকে কতটা সহ্য করতে সক্ষম, এবং ইতিবাচক ফলাফল ইউরোর মূল্যের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা যায়। তবে উল্লেখ্য যে অচিরেই মার্কিন শ্রমবাজার সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশিত হতে চলছে, তাই উক্ত প্রতিবেদনের প্রভাবে মার্কেটে তীব্র প্রতিক্রিয়ার প্রত্যাশা করা ঠিক হবে না।
দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি মূলত পরিকল্পনা #1 এবং পরিকল্পনা #2 বাস্তবায়নের উপর নির্ভর করব।
পরিকল্পনা #1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1947-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1927-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1947-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। সামগ্রিক ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকায় আজ ইউরোর দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করা যেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ার কেনার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1907-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1927 এবং 1.1947-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
পরিকল্পনা #1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1907-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1885-এর লেভেল যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র সামান্য কারেকশনের অংশ হিসেবে এই পেয়ার চাপের সম্মুখীন হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: বিক্রি করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা #2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1927-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1907 এবং 1.1885-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।